আজ মেঘের আমন্ত্রণে, বান্দরবানে...
এই ঘনঘোর বর্ষায় কাউকে যদি বলা যায়, চলুন বর্ষার বান্দরবানের রূপ উপভোগ করে আসি। নিশ্চয়ই যে কেউ এতে ভ্রূ কুঁচকে তাকাবে আর বলবেন পাগল নাকি? এটা কি বান্দরবানে যাবার সময়? কেননা বর্ষায় পাহাড়ি ঢলে ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা থাকে, আবার ম্যালেরিয়ার উপদ্রবও বেড়ে যায়। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি, এই বর্ষায় অন্যরকম এক রূপ দেখতে পাওয়া যায় বান্দরবানের।
আমরা যারা জীবিকার তাগিদে কিংবা বংশপরম্পরায় ঢাকায় থাকি, তারা নিজেরা ঢাকা সম্পর্কে কতটুকু জানি? কিংবা ঢাকায় থেকেও কতোটুকুই বা ঘুরে দেখেছি এই শহরটাকে? প্রায় ১০০০ বর্গ কিলোমিটারের এই শহরটিকে ঘুরে দেখার জন্য একদিন কিন্তু মোটেই যথেষ্ট সময় নয়। চাইলে একটা রুটিন করে প্রতি শুক্রবারে বেরিয়ে পড়তে পারেন ঘর থেকে; ঢাকার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে। ঢাকায় অনেক ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে, যা আপনি চাইলে ঘুরে দেখতে পারেন। আসুন আজ আপনাকে পুরান ঢাকার সাথে কিছুটা পরিচয় করিয়ে দেই।
১৬০৮-১৯৭১;ঢাকার জন্মপ্রবাহ
কবে ঢাকার জন্ম হয়েছিল? কোনো একজন মানুষের জন্ম নিতে প্রায় ১০ মাস সময় আগে, কিন্তু কোনো একটি শহরের জন্মের ক্ষেত্রে এভাবে কিছু বলা যায় কি? কেউ কেউ বলবেন ‘না’, কিন্তু আমি জোরালোভাবেই বলবো হ্যা, বলা যায়। আজ আমরা যে ঢাকাকে দেখতে পাই তার জন্ম হয়েছিল ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে। কিন্তু ১৬০৮ সালে যখন সুবেদার ইসলাম খান বাংলার গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত হন এবং মুঘলরা ঢাকাকে মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী ঘোষণা করলো তখন থেকে এর উত্থান মূলত শুরু হয়। এখন আমরা স্বাধীন দেশের রাজধানী ঢাকার উত্থান সম্পর্কে জানবো। ১৬০৮-১৯৭১ সাল পর্যন্ত ঢাকা দুই ধরণের পরিচিতি অর্জন করেছে-ঐতিহাসিক/রাজনৈতিক পরিচিতি এবং স্থাপত্যকলায় পরিচিতি।
নিজেই তৈরি করে নিন আপনার নিজের ভ্রমণ পরিকল্পণা
আমরা সবাই কম বেশি ঘুরতে পছন্দ করি। প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট যে কোনো স্থানই ঘুরে বেড়ানোর জন্য বেছে নেয়া হোক না কেন, ঘুরে বেড়ানোর জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়া থেকে শুরু করে বাড়ি ফেরার মাঝের যে বিশাল কর্মযজ্ঞ রয়েছে তা সুষ্ঠু, সুন্দর আর পরিকল্পণামাফিক করতে পারলেই আপনার ভ্রমণটি হবে নিরাপদ, নির্ঝঞ্ঝাট এবং অনেক বেশি আনন্দময়। আর এজন্যে প্রথমেই উচিত একটি কার্যকরী পরিকল্পণা তৈরি করা।
বাইরে ঘুরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ৫টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। এগুলো হলোঃ


